ভাবির সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের জেরে ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে বড় ভাইকে ভাড়াটে খুনিদের দিয়ে হত্যার অভিযোগপাওয়া গেছে। বরিশাল শহরে গত ২৫ অক্টোবর এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ছোট ভাই ও চার ভাড়াটে খুনিকে
গ্রেপ্তার করেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে বরিশাল আদালতের প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বড় ভাইকে হত্যার তথ্য জানান ছোট ভাই (২৬)। পুলিশ তাঁর বরাত দিয়ে আরও জানিয়েছে, বড় ভাইকে হত্যার পর নিজেকে রক্ষায় তিনিই থানায় মামলা করেন।
দুই সহোদর চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানার চর ফরিদ গ্রামের বাসিন্দা। তাঁরা বরিশাল নগরীর কাঠপট্টি সড়কে একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। দুজনই নগরের পোর্ট রোডে মাছের আড়তে ব্যবসা করতেন। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় ওই ভাড়া বাসায় বড় ভাইকে (৪০) গলায় তার পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরদিন ছোট ভাই বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন। আসামি করা হয় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের।
এ হত্যার সঙ্গে আরও চারজন জড়িত। তাঁরা ভাড়াটে খুনি। চারজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁরা হলেন বরিশাল নগরীর পলাশপুর ৮ নম্বর গলির শুক্কুর মোল্লা (২৫) ও পলাশ দাস (২১), বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই এলাকার মো. হাসান (২২) এবং কাশীপুরের শার্ষি গ্রামের আলতাফ হাওলাদার (৫০)। তাঁরা ছোট ভাইয়ের সঙ্গে এক লাখ টাকার চুক্তিতে এ হত্যাকাণ্ড ঘটান।
গতকাল দুপুর ১২টায় বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় সংবাদ সম্মেলন করে পুলিশ। সেখানে কোতোয়ালি মডেল থানার সহকারী কমিশনার আজাদ রহমান বলেন, ছোট ভাইয়ের স্বীকারোক্তি থেকে জানা গেছে, বড় ভাই দীর্ঘদিন বিদেশে ছিলেন। ওই সময়ে তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে ছোট ভাইয়ের। এক বছর আগে বড় ভাই দেশে ফেরেন। তখনো সম্পর্ক চালিয়ে নিতে ছোট ভাই কৌশলে ব্যবসার কথা বলে বড় ভাইকে বরিশালে আনেন। বড় ভাই বরিশালে থাকার সময়ে ছোট ভাই চট্টগ্রামে গিয়ে ভাবির সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত হতেন।
সংগ্রহঃ prothom-alo.com
গ্রেপ্তার করেছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে বরিশাল আদালতের প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বড় ভাইকে হত্যার তথ্য জানান ছোট ভাই (২৬)। পুলিশ তাঁর বরাত দিয়ে আরও জানিয়েছে, বড় ভাইকে হত্যার পর নিজেকে রক্ষায় তিনিই থানায় মামলা করেন।
দুই সহোদর চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানার চর ফরিদ গ্রামের বাসিন্দা। তাঁরা বরিশাল নগরীর কাঠপট্টি সড়কে একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। দুজনই নগরের পোর্ট রোডে মাছের আড়তে ব্যবসা করতেন। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় ওই ভাড়া বাসায় বড় ভাইকে (৪০) গলায় তার পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরদিন ছোট ভাই বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন। আসামি করা হয় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের।
এ হত্যার সঙ্গে আরও চারজন জড়িত। তাঁরা ভাড়াটে খুনি। চারজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁরা হলেন বরিশাল নগরীর পলাশপুর ৮ নম্বর গলির শুক্কুর মোল্লা (২৫) ও পলাশ দাস (২১), বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই এলাকার মো. হাসান (২২) এবং কাশীপুরের শার্ষি গ্রামের আলতাফ হাওলাদার (৫০)। তাঁরা ছোট ভাইয়ের সঙ্গে এক লাখ টাকার চুক্তিতে এ হত্যাকাণ্ড ঘটান।
গতকাল দুপুর ১২টায় বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় সংবাদ সম্মেলন করে পুলিশ। সেখানে কোতোয়ালি মডেল থানার সহকারী কমিশনার আজাদ রহমান বলেন, ছোট ভাইয়ের স্বীকারোক্তি থেকে জানা গেছে, বড় ভাই দীর্ঘদিন বিদেশে ছিলেন। ওই সময়ে তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে ছোট ভাইয়ের। এক বছর আগে বড় ভাই দেশে ফেরেন। তখনো সম্পর্ক চালিয়ে নিতে ছোট ভাই কৌশলে ব্যবসার কথা বলে বড় ভাইকে বরিশালে আনেন। বড় ভাই বরিশালে থাকার সময়ে ছোট ভাই চট্টগ্রামে গিয়ে ভাবির সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে লিপ্ত হতেন।
সংগ্রহঃ prothom-alo.com
No comments:
Post a Comment