শরীয়তপুরে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষার্থী আট ছাত্রছাত্রীকে পিটিয়ে আহত করার ঘটনায় মামলা হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে গতকাল বৃহস্পতিবার চারজনকে আসামি করে মামলাটি করেছেন সদর
উপজেলার বিনোদপুর পাবলিক উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবুল মিয়া।
আসামিরা হলেন শামীম দেওয়ান, আমীর হোসেন দেওয়ান, আবুল হোসেন ও আরিফ দেওয়ান। তাঁদের বাড়ি সদর উপজেলার তুলাসার ইউনিয়নের দেওয়ানকান্দি গ্রামে।
শরীয়তপুর সদর থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার বিনোদপুর পাবলিক উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা আংগারিয়া উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা দিচ্ছে। ওই বিদ্যালয়ের এক ছাত্রী জেএসসি পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষাকেন্দ্রে আসার পথে এক সপ্তাহ ধরে পাশের গ্রামের শামীম দেওয়ান উত্ত্যক্ত করছিলেন। গতকাল শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ের পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে দেওয়ানকান্দি এলাকায় শিক্ষার্থীদের বহনকারী ইজিবাইক থামিয়ে ওই ছাত্রীর কাছে মুঠোফোন নম্বর চান শামীম। এ সময় অন্য শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শামীম তাঁর পাঁচ সহযোগীকে নিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালান। তাঁরা আট শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে আহত করেন। এর মধ্যে চারজন ছাত্রী, চারজন ছাত্র। স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে বিদ্যালয়ে পৌঁছে দেয়। পরে বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা আহত শিক্ষার্থীদের শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবুল মিয়া বলেন, শিক্ষার্থীদের ওপর বখাটেদের হামলার ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়েছে। মেয়েদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করার প্রয়োজন।
পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খলিলুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযানে নেমেছে। বিদ্যালয়গামী ছাত্রীদের নিরাপদে চলাচলের জন্য পুলিশ কাজ করছে।
সঙগ্রহঃ prothom-alo.com
পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খলিলুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ অভিযানে নেমেছে। বিদ্যালয়গামী ছাত্রীদের নিরাপদে চলাচলের জন্য পুলিশ কাজ করছে।
সঙগ্রহঃ prothom-alo.com
No comments:
Post a Comment