আওয়ামী লীগ সভাপতির অনুমতি না নেয়ার কারণে কবর খুঁড়েও এক বৃদ্ধাকে দাফন করতে পারেননি তার স্বজনরা। বুধবার রাতে নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার বাঁশিলা দক্ষিণপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
বৃহস্পতিবার এলাকাবাসী জানান, বুধবার দুপুরে বাঁশিলা দক্ষিণপাড়া গ্রামের মরহুম সুলতান মণ্ডলের স্ত্রী আঞ্জুমান
আরা মারা যান। তার সন্তানদের কাছে আগে থেকে করা ওসিয়ত মতো তার লাশ নিজ গ্রাম বাঁশিলা কেন্দ্রীয় গোরস্থানে তার স্বামীর পাশে দাফন করার প্রস্তুতি নেয়া হয়।
সে অনুযায়ী কেন্দ্রীয় গোরস্থানের সভাপতি মো. আজিজ খাঁ ও সহ-সভাপতি জয়নাল খাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে রেজুলেশন মোতাবেক পরিবারের পক্ষ থেকে এক হাজার টাকা গোরস্তান তহবিলে জমা দিয়ে অনুমতি নেয়া হয়। পরে কেন্দ্রীয় গোরস্থানের কমিটির সদস্য হাসান ও ইসমাইল গোরস্থানে গিয়ে কবরের জায়গা নির্ধারণ করে দিয়ে আসে।
পরিবারের পক্ষ থেকে কবর খোঁড়া হয়। লাশ কবরে নামানোর জন্য রাতে জেনারেটরের ব্যবস্থা করে পরিবারের সদস্যরা। পরে তার লাশ নিয়ে যাওয়ার সময় ফৌজদার পাড়া মোড়ে যেতেই মাধনগর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি তাহের উদ্দিন সবাইকে থামিয়ে দেন।
তিনি জানান, তাদেরকে আগে থেকে না জানানোর কারণে লাশ কেন্দ্রীয় গোরস্থানে দাফন করতে দেয়া হবে না।
মরহুমের পরিবার ও এলাকাবাসীর অনুরোধের পরও দুই নেতার অনুমতি না পাওয়া যায়নি। পরে নতুন করে বাঁশিলার বিল জোয়ানিয়া গ্রামে কবর তৈরি করে বৃদ্ধার লাশ দাফন করা হয়।
আঞ্জুমান আরার ছেলে রেজাউল করিম যুগান্তরকে বলেন, আমি এবং আমার ভাইয়েরা আওয়ামী লীগের সভাপতি তাহের উদ্দিনসহ বাধাদানকারীদের হাতে পর্যন্ত ধরেছি তবুও তাদের মন গলেনি। তারা আমাদের মায়ের লাশ বহনের খাটিয়ায় ধাক্কা মেরে আমাদের তাড়িয়ে দেয়।
এ ব্যাপারে জানতে মাধনগর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি তাহের উদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, গোরস্থান এলাকার অধিবাসী না হওয়ায় এই মহিলার লাশ কেন কবর দেয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে কমিটির সেক্রেটারির কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে কিছু জটিলতার সৃষ্টি হয়। এজন্য তারা লাশ নিয়ে ফিরে যায়।
এর আগেও একই কারণে অন্য একজনের লাশ দাফন করতে দেয়া হয়নি বলেও তিনি স্বীকার করেন।
সঙগ্রহঃ jugantor.com
বৃহস্পতিবার এলাকাবাসী জানান, বুধবার দুপুরে বাঁশিলা দক্ষিণপাড়া গ্রামের মরহুম সুলতান মণ্ডলের স্ত্রী আঞ্জুমান
আরা মারা যান। তার সন্তানদের কাছে আগে থেকে করা ওসিয়ত মতো তার লাশ নিজ গ্রাম বাঁশিলা কেন্দ্রীয় গোরস্থানে তার স্বামীর পাশে দাফন করার প্রস্তুতি নেয়া হয়।
সে অনুযায়ী কেন্দ্রীয় গোরস্থানের সভাপতি মো. আজিজ খাঁ ও সহ-সভাপতি জয়নাল খাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে রেজুলেশন মোতাবেক পরিবারের পক্ষ থেকে এক হাজার টাকা গোরস্তান তহবিলে জমা দিয়ে অনুমতি নেয়া হয়। পরে কেন্দ্রীয় গোরস্থানের কমিটির সদস্য হাসান ও ইসমাইল গোরস্থানে গিয়ে কবরের জায়গা নির্ধারণ করে দিয়ে আসে।
পরিবারের পক্ষ থেকে কবর খোঁড়া হয়। লাশ কবরে নামানোর জন্য রাতে জেনারেটরের ব্যবস্থা করে পরিবারের সদস্যরা। পরে তার লাশ নিয়ে যাওয়ার সময় ফৌজদার পাড়া মোড়ে যেতেই মাধনগর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি তাহের উদ্দিন সবাইকে থামিয়ে দেন।
তিনি জানান, তাদেরকে আগে থেকে না জানানোর কারণে লাশ কেন্দ্রীয় গোরস্থানে দাফন করতে দেয়া হবে না।
মরহুমের পরিবার ও এলাকাবাসীর অনুরোধের পরও দুই নেতার অনুমতি না পাওয়া যায়নি। পরে নতুন করে বাঁশিলার বিল জোয়ানিয়া গ্রামে কবর তৈরি করে বৃদ্ধার লাশ দাফন করা হয়।
আঞ্জুমান আরার ছেলে রেজাউল করিম যুগান্তরকে বলেন, আমি এবং আমার ভাইয়েরা আওয়ামী লীগের সভাপতি তাহের উদ্দিনসহ বাধাদানকারীদের হাতে পর্যন্ত ধরেছি তবুও তাদের মন গলেনি। তারা আমাদের মায়ের লাশ বহনের খাটিয়ায় ধাক্কা মেরে আমাদের তাড়িয়ে দেয়।
এ ব্যাপারে জানতে মাধনগর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি তাহের উদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, গোরস্থান এলাকার অধিবাসী না হওয়ায় এই মহিলার লাশ কেন কবর দেয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে কমিটির সেক্রেটারির কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে কিছু জটিলতার সৃষ্টি হয়। এজন্য তারা লাশ নিয়ে ফিরে যায়।
এর আগেও একই কারণে অন্য একজনের লাশ দাফন করতে দেয়া হয়নি বলেও তিনি স্বীকার করেন।
সঙগ্রহঃ jugantor.com

No comments:
Post a Comment